বিমানবালারা যে ৫ তথ্য শেয়ার করেন না

বিমান সেবিকা বা বিমানবালা যাই বলেন না কেন কাজটা কিন্তু একই। ফ্লাইটের নানান প্রকৃতির যাত্রীর নানান বায়না সামলানো থেকে শুরু করে তাদের সুরক্ষার দায়িত্বটা বিমানবালাদের ওপরই ন্যস্ত। বিমানে কোনো সমস্যা হলে কীভাবে যাত্রীদের শান্ত রাখতে হবে, সে গুরুভারও তাদেরই। ফলে বিমানবালাদের কাজের পরিধি বেশ লম্বা।

কিন্তু বেশ কয়েকটি এমন কাজও রয়েছে যা নিয়ে কখনোই কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। জেনে নেয়া যাক সেই পাঁচ তথ্য।

১. ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবালাদের বেতন দেয়া হয় একেবারেই ‘ফ্লাইট টাইম’ ধরে। অর্থাৎ, বিমানের দরজা বন্ধ হওয়ার সময় থেকে গন্তব্যে পৌঁছা পর্যন্ত।

২. বেশি পরিমাণে মদ্যপান করে বিমানে উঠলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। যে কারণে বিমানবালারা নজর রাখেন সেদিকেও।

৩. বিমানে পানি চাইলে তা সব সময়ই সিল্‌ড বোতল থেকে খাওয়া উচিত। খোলা বোতল বা জগ থেকে ঢেলে দেয়া পানি না খাওয়াই ভালো।

৪. বিমানে ওঠার সময় সঙ্গে হ্যান্ড-স্যানিটাইজার থাকলে ভালো হয়। না হলে, কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন। চেষ্টা করুন সিটের পেছনের ট্রেতে খাবার না রাখতে।

৫. ফ্লাইট চলাকালীন জানালার শাটার খুলে রাখতে বলা হয়। এর কারণ, কোনো সমস্যা হলে তা যাতে তাৎক্ষণিক বিমানবালাদের চোখে পড়ে। এবেলা

চে’তনানা’শক ইনজে’কশন পু’শ করে ধ’র্ষ’ণ। তুলে রাখা হতো ছবি। সিরিয়াল ধর্ষক চাঁদপুরের রসু খা, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের স্কুলশিক্ষক আরিফ কিংবা চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত বেলাল দফাদারের ধ’র্ষ’ণের উৎসব থেকেও আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছেন কুমিল্লার লাকসাম পৌর শহরের

জংশন এলাকায় র‌্যাবের হাতে আটক ডাক্তার না’মধারী সিরি’য়াল ধ’র্ষ’ক আলো’চিত মী’র হোসেন। ধ’র্ষ’ণে তার কৌ’শল ছিল ভিন্ন। বছরের পর বছর নিজের

মা’লিকানাধীন ডিজি’টাল হেলথ কেয়ারের প্যাথলজি ল্যা’বে কর্মরত নারী’কর্মী’দের ধ’র্ষ’ণ করে আসছিলেন তিনি। কখনও প্র’লোভ’নে, কখ’নও চাক’রি হারা’নোর

হু’ম’কি দিয়ে কিংবা কাউকে চেতনানাশক ইন’জেকশন পু’শ করে ধ’র্ষ’ণ করে আসছিলেন তিনি। ধ’র্ষ’ণের সময় গো’পন ক্যা’মেরায় ছবি তুলে মাসের পর মাস ছবি

প্রকা’শের হু’ম’কি দিয়ে চালিয়ে গেছেন যত অ’পক’র্ম। কিন্তু এবার ধরাশায়ী হয়েছেন ওই নারী’লোভী কথিত ডাক্তার। এক না’রীক’র্মী’র অ’ভিযোগের প্রে’ক্ষিতে বুধবার

তাকে আ’টক করেছে কুমি’ল্লার র‌্যাব ১১, সিপিসি-২ এর একটি দল। কথিত ওই ডা’ক্তার মীর হোসেন লাকসাম পৌরসভার বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।

ঠিক কতজন না’রীক’র্মী এ যাবত ধ’র্ষ’ণের শিকার হয়েছেন- এ বিষয়ে র‌্যাব নিশ্চিত হতে তাকে জি’জ্ঞা’সা’বাদ অ’ব্যাহত রেখেছে। বিষয়টি নি’শ্চিত করেছেন র‌্যাব-১১

এর কুমিল্লার সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমা’ন্ডার সহ’কারী পুলিশ সুপার প্রণব কু’মার। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার লাকসাম থানায় মা’মলা হতে পারে। র‌্যাব, স্থা’নীয় সূত্র ও

ভু’ক্তভো’গীদের অ’ভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভু’য়া ডাক্তার মীর হোসেন তার প্যা’থলজিতে সু’ন্দরী মেয়েদের চাক’রি দিয়ে নানা কৌশলে তাদের ধ’র্ষ’ণ করতেন।

Related posts

Leave a Comment