শুধু সন্তান ছাড়া আর কেউ নেইমৃত বাবার লাশ দাফনে

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস যেন মানুষের রুপ পাল্টে দিয়েছে, হাসরের ময়দের কথা আমরা সবাই কম বেশী শুনেছি, ঐ কঠিন কেয়ামতের ময়দানে কেউ কাউকে চিনবে না,

মা-বাবা, ছেলে মেয়ে স্ত্রী-পুত্র সবাই ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি করতে থাকবে, সেটা হয়তো আমরা কল্পনায় ভাবি, কিন্তু পৃথিবীর বুকে এমনি একটা ইঙ্গিত আসবে আমরা কেউই হয়তো সেটা ভাবিনি, এমনি একটি ভয়াবহ

আযাব আমাদের উপর নাযিল হয়েছে, যে দৃশ্য বার বার মনে করিয়ে দেয় সেই ভয়ানক কেয়ামতের দিবসের কথা।

করোনায় আক্রান্ত হলেই ছেলে বাবার কাছে যায়না, স্ত্রী তার স্বামীর কাছে যায়না, মা তার সন্তানের কাছে যায়না, ভাই তার বোনের কাছে যায়না, কি নির্মম পরিহাস, অনেক যায়গায় করোনায় সন্দেহে বৃদ্ধ বাবা-মা কে বনে জঙ্গলে ফেলে চলে গেছে সন্তানেরা, অথবা করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ দাপনে খাটিয়া দেয়নি গ্রামবাসী, লাশ দাপনে বাঁধার মত অমানবিক ঘটনা ঘটেছে এই এই সমাজে।

এই করোনা আমাদেরকে শিক্ষা দিচ্ছে যে এই পৃথিবীতে কেউই কারো আপন নয়, আমরা সবাই চলে যেতে হবে একাই সেই মহান সৃষ্টি কর্তার কাছে, তাই এখনো সময় আছে আল্লাহর কাছে সবাইকে মাথা নত করে

দেওয়ার, ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসা হারাম পথ থেকে, নয়তো দুনিয়া এবং আখেরাত, দুটাই যে আমাদের কে হারাতে হবে, আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুজার তাওফিক দান করুক আমিন।

ছবিটির এই করুন দৃশ্য কথায় আমি জানিনা, কিন্তু আনেক ভাই মন্তব্য করেছেন এই দৃশ্য ভারতের নয়দিল্লিতে

ন’গ্ন বিচের কথা শোনা গেছে, ন’গ্ন অবকাশযাপন কেন্দ্রের কথাও অনেকের জানা, কিন্তু ন’গ্ন গ্রাম. হ্যা, দক্ষিণ আ’মেরিকায় ঘ’নজ’ঙ্গলে কিছু আদিবাসী আছে যারা এখনও সভ্যতার ছোঁয়া পায়নি। তাদের ব্যা’পার হলে ভিন্ন কথা ছিল। কিন্তু সভ্যতার প’থপ্রদশক বলে যারা নিজেদের দাবি করে সেই যুক্তরাজ্যে এমন গ্রামের কথা শুনলে অনেকেই হয়ত অ’বাক হবেন। তবে গ্রা’মবাসী অবশ্য ন’গ্ন’তার মধ্যে অ’স’ভ্যতার কিছু দেখেন না।

আর বিশ্বের যে খানে রয়েছে ন’গ্ন গ্রাম. পোশাক পড়লেই সমাজচ্যুত যেখানে ইউরোপ-আমেরিকার সামনের সারির সভ্য দেশগুলোর শিক্ষিতরা ন’গ্ন’তার দাবিতে আ’ন্দোলন করছেন, রাস্তার মধ্যে কাপড় খুলে ব্যানার হাতে টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন সেখানে ওই গ্রামবাসীকে অসভ্য বলার সুযোগই বা কোথায়? তারা তো নিজেদের মতো করে থাকছেন, কারও বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছেন না। এটা ওই গ্রামেরই মানুষের কথা ।ন’গ্ন হতে রাজি হলেই কিনতে পারবে জমি। অন্যথায় জমিও মিলবে না,

মিলবে না বাড়ি-ঘর বা বসবাসের সুযোগ। অ’বাক হচ্ছেন? যুক্তরাজ্যের হার্টফোর্ডশায়ারে অবস্থিত স্পিলপ্লাজ নামক গ্রামে এমনই রীতি! কারণও আছে, ওই গ্রামে কেউ কাপড়ই পরে না। তাই সেখানে থাকতে চাইলে তাদের মতো করেই থাকতে হবে আপনাকে। মজার ব্যাপার হচ্ছে- ওই গ্রামের মানুষ বেশ সচেতন ও সৌখিন। তারা গায়ে কাপড়ের কোন পোশাক না পরলেও রোদ থেকে চোখ বাঁ’চাতে সানগ্লাস ঠিকই ব্যবহার করেন।

গ*লায় স্বর্নের চেইন এমনকি আঙ্গুলে আংটিও পরেন শখ করে। গ্রামের ভেতর বেশ সমৃদ্ধ বারও আছে। শুধু পোশাকই নেই গায়ে।মোর-৪ নামের একটি টিভি চ্যানেল সেই গ্রামের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নিয়ে একটি ধারাবাহিক ডকুমেন্টরি তৈরি করছে। এর ফলেই নতুন করে আলোচনায় চলে আসে স্পিলপ্লাজ।
শোনা গেছে, ওই গ্রামের সবাই বস্ত্রহীন। প্রথম দর্শনে একে আর দশটি গ্রামের মতোই মনে হবে। ছবির মতো সুন্দর, বেশ পরিপাটি।

কিন্তু আপনার ধারণা পাল্টাতে শুরু করবে যখন আপনি এই গ্রামের কোনো বাসিন্দার দেখা পাবেন। এই গ্রামের বাসিন্দারা গ্রামটিকে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে পুরনো ন’গ্নতাবাদী অঞ্চল বলে দাবি করেন। তারা এতটাই ন’গ্নতাবাদী যে আপনি যদি তাদের মতের সাথে একমত না হন তাহলে সেই গ্রামের কেউ আপনার কাছে জায়গা-জমি, বাড়ি-ঘর কিছুই বিক্রি করবে না।এই গ্রামের বাসিন্দা ৮৫ বছর বয়সী ইছিয়ুট রিচার্ডসন বলেন, আমি বুঝি না এটা নিয়ে এত হৈচৈ করার কি আছে। আমি তো অন্য গ্রামের সাথে এই গ্রামের কোনো পার্থক্য দেখি না।

ওরা যেভাবে জীবন ধারণ করে আম’রাও সেইভাবে করি। সকালে ঘুম থেকে উঠি, দিনের কাজ শুরু করি, বাজারে যাই, পানশালায় যাই, দুধওয়ালা, পোষ্টম্যানরা আমাদের বাড়িতে আসে। সবই তো স্বাভাবিক, অস্বাভাবিক তো কিছু দেখি না। আম’রা শুধু বস্ত্রহীন থাকি, এই যা।

Related posts

Leave a Comment