বিধিনিষে’ধ অ’মান্য করে কোন দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ?

ঘো’ষিত ল’ক’ডা’উ’ন ছিল না, ছিল কিছু বিধিনিষে’ধ। সে’না ছিল, পুলিশ ছিল রাস্তায়, দুই একদিন ধরে আর কিছুই নেই দেশে। যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কারণে-অ’কারণে রাস্তায় বের হচ্ছেন। অলি-গলি দোকানেও ভি’ড়।

পু’লি’শের বা অন্য কারো চে’ক পোষ্টেরও এখন আর দেখা মিলছে না। ফলে বাঁ’ধা দেওয়ারও কেউ নেই৷ কোথাও কোথাও যা’ন’জ’ট ফিরে আসছে চেনা চেহারায়। ঢাকার প্রবেশ মু’খ’গুলোও এখন উ’ন্মুক্ত।

‘ল’ক’ডাউ’ন’ ভে’ঙে পড়ায় কোন দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ? জানতে চাইলে রো’গ ত’ত্ত্ব, রো’গ নি’য়’ন্ত্রণ ও গবেষ’ণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘‘আমি বুঝতে পারছি না, আমরা কি ব্রাজিল বা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থার দিকে যাচ্ছি? এখন এই শৈ’থি’ল্য ভ’য়া’ব’হ

প’রি’নতির দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে না তো? আমরা বারবার বলছি, এখন শৈ’থি’ল্য দেখানো যাবে না। কিন্তু রাস্তা ঘাটে যে অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে করোনা যু’দ্ধে জ’য়ী হয়ে আমরা উৎসব করছি। কিছু মানুষ তো প্রয়োজনে বের হচ্ছেন। কিন্তু অ’প্র’য়োজনে বের হওয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয়। এদের নি’বৃ’ত্ত করতে হবে। এই মাস আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা রাষ্ট্রীয়

আমার হাত কতটুকু ল’ম্বা প্রধানম’ন্ত্রীও জানেন না ; এস আই লতিফ

আমার হাত কতটুকু ল’ম্বা প্রধানম’ন্ত্রীও জানেন না ; এস আই লতিফ

অ’কথ্য ভাষায় গা’লি’গালাজ ও তিন ছাত্রীকে ই’য়াবা দিয়ে জে’লে ঢোকানোর হু`মকির অ’ভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পু’লিশের এসআই আব্দুল লতিফের বি’রুদ্ধে। সিলেটের পু’লিশ সুপার বরাবর লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছেন রাহেলা বেগম (৪৫) নামের ভু’ক্তভোগী এক নারী। অ’ভিযোগে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার

রাহেলা বেগমের সতীন মনোয়ারা বেগমের (৪০) দেয়া একটি মি’থ্যা অ’ভিযোগ ত’দন্তে বাড়িতে গিয়ে এসআই আব্দুল লতিফ তার কলেজপড়ুয়া তিন মেয়েকে হু`মকি দেন।

এ সময় দারোগা লতিফ অ’ক’থ্য ভা’ষায় গা’লি’গালাজ করে তার তিন মে’য়েকে ই’য়াবা দিয়ে জে’লে ঢোকানোর হু`মকি দিয়ে বলেন ‘তোদের মতো হাজারও বেহায়া মেয়েদের জে’লে ঢুকিয়ে উচিত শিক্ষা দিয়েছি। আর আমা’র হাত কতটুকু লম্বা তোরা কেন প্রধানমন্ত্রীও জানেন না’। রাহেলা বেগম তার অ’ভিযোগে আরও উল্লেখ

করেছেন, ২০১০ সালে স্বামী ও ৩ ছেলে এবং ১ মেয়েকে ফেলে ১২ বছর বয়সী অ’পর মেয়ে নাজমা বেমগমকে সাথে নিয়ে রাহেলার স্বামী আশিক আলীকে ভ’য় দেখিয়ে বি’য়ে করেন মনোয়ারা বেগম।

পারিবারিক ক’লহের জে’রে ওই বছর ২ ছেলে ও ৩ মেয়েকে নিয়ে রাহেলা স্বামীর কাছ থেকে পৃ’থক হয়ে একই বাড়িতে আলাদা ঘরে বসবাস করেন। আর তার স’তিন মনোয়ারা স্বামী আশিক আলীকে নিয়ে অন্য আরেকটি ঘরে বসবাস করেন। এরপর থেকে দা’দন ব্যবসা করে অ’ঢেল টাকার মালিক হন মনোয়ারা। আর মি’থ্যা

অ’ভিযোগ করে টাকার বিনিময়ে পু’লিশ দিয়ে হয়’রানির পাশাপাশি তার আগের তরফের ৩ ছেলে হাসান আহম’দ (২১), হোসেন আহম’দ (১৯) ও হাবিব আহম’দকে (১৮) দিয়ে প্র’তিনিয়ত রা’হেলা ও তার সন্তানদের প্রাণ নাশের হু`মকি ধা’মকি দিয়ে আসছেন মনোয়ারা।

বর্তমানে তার (রাহেলার) দুই ছেলে ব্যবসা করছে আর ৩ মেয়ে কলেজে লেখা পড়া করছে। গত মঙ্গলবার সকালে মনোয়ারার মেয়ে নাজমা বেগম (২২) ও তার প্রেমিক শাহিনকে (২৪) বাড়ির অন্য একটি ঘরে বিবস্ত্র অবস্থায় পেয়ে মেয়েকে শাসন করেন আশিক আলী। এতে ক্ষি’প্ত হয়ে মনোয়ারা তার স্বামীর কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মোবাইল সে’ট কে’ড়ে নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

স্বামী আশিক আলী টাকার জন্য প্রথম স্ত্রী’ রাহেলার ছেলে ই’মামুল ইস’লামের কাছে বাড়ির ৯ টি গাছ ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে ওই টাকা নিয়ে অন্যত্র চলে যান। পরদিন বুধবার সকালে গাছ কা’টা’র সময় মনোয়ারা থানায় গিয়ে ই’মামুলের বি’রুদ্ধে

জো’রপূর্বক গাছ কা’টার অ’ভি’যোগ করেন। রাতে অ’ভিযোগ ত’দন্তে গিয়ে উভয় পক্ষকে ঝ’গ’ড়াঝাটি না করতে বলেন এ’স’আই দেবাশীষ শর্ম্মা। এর পরদিন বৃহস্পতিবার আবারও মনোয়ারা রাহেলার মেঝো মেয়ে সাহেদা বে’গ’মকে পি’টিয়ে আ’হ’ত করার পর থা’নায় গিয়ে উ’ল্টো অ’ভিযোগ করেন, রাহেলার ছেলে-মেয়েরা তাকে

মা’রধর করেছে। আর এই অ’ভিযোগ ত’দন্তে ওইদিন দু’বার তাদের বাড়িতে যান এসআই আব্দুল লতিফ। এসময় তিনি কলেজে পড়ুয়া মেয়েদের ই’য়াবা দিয়ে জে’লে ঢো’কানোর হু`মকি দেন। এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার এসআই আব্দুল লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, মনোয়ারা বেগম তার সতিনের ছেলে-মেয়দের বি’রুদ্ধে

থানায় অ’ভিযোগ দিলে তিনি ত’দন্তে গিয়ে আইনগতভাবে যা করতে হয় তা তিনি করেছেন।সিলেটের অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার (দক্ষিণ) ই’মাম মোহাম্ম’দ শাদিদ বলেন, পু’লিশ সুপার না থাকায় এই অ’ভিযোগটি তিনিই দেখছেন। ত’দন্তে অ’ভিযোগের সত্য’তা প্রমানিত হলে এসআই আব্দুল ল’তিফের বি’রু’দ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

Related posts

Leave a Comment