আমার হাত কতটুকু ল’ম্বা প্রধানম’ন্ত্রীও জানেন না ; এস আই লতিফ

অ’কথ্য ভাষায় গা’লি’গালাজ ও তিন ছাত্রীকে ই’য়াবা দিয়ে জে’লে ঢোকানোর হু`মকির অ’ভিযোগ উঠেছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পু’লিশের এসআই আব্দুল লতিফের বি’রুদ্ধে। সিলেটের পু’লিশ সুপার বরাবর লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছেন রাহেলা বেগম (৪৫) নামের ভু’ক্তভোগী এক নারী। অ’ভিযোগে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার

রাহেলা বেগমের সতীন মনোয়ারা বেগমের (৪০) দেয়া একটি মি’থ্যা অ’ভিযোগ ত’দন্তে বাড়িতে গিয়ে এসআই আব্দুল লতিফ তার কলেজপড়ুয়া তিন মেয়েকে হু`মকি দেন।

এ সময় দারোগা লতিফ অ’ক’থ্য ভা’ষায় গা’লি’গালাজ করে তার তিন মে’য়েকে ই’য়াবা দিয়ে জে’লে ঢোকানোর হু`মকি দিয়ে বলেন ‘তোদের মতো হাজারও বেহায়া মেয়েদের জে’লে ঢুকিয়ে উচিত শিক্ষা দিয়েছি। আর আমা’র হাত কতটুকু লম্বা তোরা কেন প্রধানমন্ত্রীও জানেন না’। রাহেলা বেগম তার অ’ভিযোগে আরও উল্লেখ

করেছেন, ২০১০ সালে স্বামী ও ৩ ছেলে এবং ১ মেয়েকে ফেলে ১২ বছর বয়সী অ’পর মেয়ে নাজমা বেমগমকে সাথে নিয়ে রাহেলার স্বামী আশিক আলীকে ভ’য় দেখিয়ে বি’য়ে করেন মনোয়ারা বেগম।

পারিবারিক ক’লহের জে’রে ওই বছর ২ ছেলে ও ৩ মেয়েকে নিয়ে রাহেলা স্বামীর কাছ থেকে পৃ’থক হয়ে একই বাড়িতে আলাদা ঘরে বসবাস করেন। আর তার স’তিন মনোয়ারা স্বামী আশিক আলীকে নিয়ে অন্য আরেকটি ঘরে বসবাস করেন। এরপর থেকে দা’দন ব্যবসা করে অ’ঢেল টাকার মালিক হন মনোয়ারা। আর মি’থ্যা

অ’ভিযোগ করে টাকার বিনিময়ে পু’লিশ দিয়ে হয়’রানির পাশাপাশি তার আগের তরফের ৩ ছেলে হাসান আহম’দ (২১), হোসেন আহম’দ (১৯) ও হাবিব আহম’দকে (১৮) দিয়ে প্র’তিনিয়ত রা’হেলা ও তার সন্তানদের প্রাণ নাশের হু`মকি ধা’মকি দিয়ে আসছেন মনোয়ারা।

বর্তমানে তার (রাহেলার) দুই ছেলে ব্যবসা করছে আর ৩ মেয়ে কলেজে লেখা পড়া করছে। গত মঙ্গলবার সকালে মনোয়ারার মেয়ে নাজমা বেগম (২২) ও তার প্রেমিক শাহিনকে (২৪) বাড়ির অন্য একটি ঘরে বিবস্ত্র অবস্থায় পেয়ে মেয়েকে শাসন করেন আশিক আলী। এতে ক্ষি’প্ত হয়ে মনোয়ারা তার স্বামীর কাছ থেকে টাকা পয়সা ও মোবাইল সে’ট কে’ড়ে নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

স্বামী আশিক আলী টাকার জন্য প্রথম স্ত্রী’ রাহেলার ছেলে ই’মামুল ইস’লামের কাছে বাড়ির ৯ টি গাছ ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে ওই টাকা নিয়ে অন্যত্র চলে যান। পরদিন বুধবার সকালে গাছ কা’টা’র সময় মনোয়ারা থানায় গিয়ে ই’মামুলের বি’রুদ্ধে

জো’রপূর্বক গাছ কা’টার অ’ভি’যোগ করেন। রাতে অ’ভিযোগ ত’দন্তে গিয়ে উভয় পক্ষকে ঝ’গ’ড়াঝাটি না করতে বলেন এ’স’আই দেবাশীষ শর্ম্মা। এর পরদিন বৃহস্পতিবার আবারও মনোয়ারা রাহেলার মেঝো মেয়ে সাহেদা বে’গ’মকে পি’টিয়ে আ’হ’ত করার পর থা’নায় গিয়ে উ’ল্টো অ’ভিযোগ করেন, রাহেলার ছেলে-মেয়েরা তাকে

মা’রধর করেছে। আর এই অ’ভিযোগ ত’দন্তে ওইদিন দু’বার তাদের বাড়িতে যান এসআই আব্দুল লতিফ। এসময় তিনি কলেজে পড়ুয়া মেয়েদের ই’য়াবা দিয়ে জে’লে ঢো’কানোর হু`মকি দেন। এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার এসআই আব্দুল লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, মনোয়ারা বেগম তার সতিনের ছেলে-মেয়দের বি’রুদ্ধে

থানায় অ’ভিযোগ দিলে তিনি ত’দন্তে গিয়ে আইনগতভাবে যা করতে হয় তা তিনি করেছেন।সিলেটের অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার (দক্ষিণ) ই’মাম মোহাম্ম’দ শাদিদ বলেন, পু’লিশ সুপার না থাকায় এই অ’ভিযোগটি তিনিই দেখছেন। ত’দন্তে অ’ভিযোগের সত্য’তা প্রমানিত হলে এসআই আব্দুল ল’তিফের বি’রু’দ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

বিবাহিত কলেজছাত্রীকে নিয়মিত ধর্ষণ করতো ছাত্রলীগ নেতা

র্ষণ মা’মলায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজে’লার সরকারি ইব্রাহিম খাঁ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফুজ্জামান হৃদয় মণ্ডলকে (২৫) গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ।গতকাল শুক্রবার রাতে উপজে’লার মাটিকা’টা এলাকা থেকে তাকে গ্রে’প্তার করা হয়।গ্রে’প্তার ছাত্রলীগ নেতা ভূঞাপুর পৌরসভার ছাব্বিশা গ্রামের বাসিন্দা।ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) রাশিদুল ইস’লাম বিষয়টির সতত্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ছত্রছায়ায় হৃদয় মণ্ডল বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

সে কলেজের ছাত্রীদের উ’ত্ত্যক্তসহ নিয়মিত বিভিন্ন অ’পকর্ম করে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় সে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া বিবাহিত এক ছাত্রীকে (২১) ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত ধ’র্ষণ করত।ওসি বলেন, ‘মেয়েটি হৃদয়ের হাত থেকে বাঁ’চার জন্য আত্মহ’ত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। দুই পুষ্ঠার চিরকুটও লেখে। বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানার পর থানায় লিখিত অ’ভিযোগ করেন।

অ’ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে হৃদয় মণ্ডলকে গ্রে’প্তার করা হয়। আজ শনিবার দুপুরে পাঁচ দিনের রি’মান্ড চেয়ে তাকে আ’দালতে পাঠানো হয়েছে। তার বি’রুদ্ধে ২০১৭ সালে অ’পহরণ এবং নারী ও শি’শু নি’র্যাতন আইনে মা’মলা দায়ের হয়েছিল। ওই মা’মলা দুটিতে সে এখন জামিনে রয়েছে’, যোগ করেন ওসি।ভুক্তভোগী ত`রুণীর স্বামী বলেন,এ ঘটনা জানাজানির পর আমা’র স্ত্রী’ আত্মহ’ত্যা করতে যায়। আম’রা বুঝিয়ে তা রোধ করি।

হৃদয় আমা’র সংসারে আ’গুন ধরিয়ে দিয়েছে। ও আরও কয়েকটি মেয়ের সর্বনাশ করেছে। ওর ভয়ে কলেজের কেও কিছু বলতে পারে না।বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিভিন্নভাবে তাদের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও ভুক্তভোগীর স্বামী অ’ভিযোগ করেন।সরকারি ইব্রাহিম খাঁ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বেনজির আহমেদ বলেন, ‘আসিফুজ্জামান হৃদয় মণ্ডল সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের সভাপতি। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না।

শালিকে হাত-পা বেঁ’ধে দু’লাভাইয়ের ধ’র্ষণ সাভারের কাতলাপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগ উঠেছে তার খালাতো দুলাভাইয়ের বি’রুদ্ধে। এ ঘটনায় অ’ভিযুক্ত মিলন হোসেনকে আ’ট’ক করেছে পু’লিশ। গত সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীকে স্বাস্থ্য
পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাস*পাতালে পাঠানো হয়েছে।আ’ট’ক মিলন পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা।

তিনি সাভারের কাতলাপুরে একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম জে’লায়। সাভার মডেল থা’না পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, বিকেলে ওই স্কুলছাত্রী পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার খালাতো বোনের বাসায় যায়।

বাসায় কেউ না থাকায় তাকে হা’ত-পা বেঁ’ধে ধ’র্ষ’ণ করে মিলন।পরে ওই ছাত্রী চি’ৎকার শুরু করলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। এ সময় স্থানীয়রা মিলনকে আ’ট’কে রেখে থা’নায় জানালে পু’লিশ গিয়ে মিলনকে আ’ট’ক করে। এ ঘটনায় মা’ম’লা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন পু’লিশের অভি’যানে গেস্ট হাউস থেকে ৬৭ যুবতী উ’দ্ধার! নারীকে ব্যবহার করে পাতা ফাঁ’দ বা বারে অ’ভিযান চালিয়ে পু’লিশ ও অন্যান্য কর্মক’র্তারা ৬৭ যুবতী ও অল্প সংখ্যক যুবককে উ’দ্ধা’র করেছে। মধ্যপ্রদেশে নারীদের ব্যবহার করে পাতা ‘হানি ট্রা’প’ ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগ আছে ইন্দোর-ভিত্তিক একজন ব্যবসায়ীর।

তার নাম জিতেন্দর সোনি। তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার মালিক। তার একটি নাইট ক্লাব ও অন্যান্য স্থাপনা থেকে ওইসব যুবতী ও যুবকদের উ’দ্ধা’র করে পু’লিশ। এসব যুবক-যুবতী সেখানে বার ড্যান্সার হিসেবে কাজ করতো। শনিবার রাতে জিতেন্দর সোনির বাসভবন ও অন্যান্য স্থাপনায় অ’ভিযান চালায় পু’লিশের একটি টিম।

তারা সেখানে থেকে উ’দ্ধা’র করে ওই যুবতীদের। তাদেরকে একটি আশ্রয়ে রাখা হয়েছে এবং তাদের বক্তব্য রেকর্ড করেছে পু’লিশ। পু’লিশের মতে, এসব যুবতীর বেশির ভাগই আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের। তাদেরকে গীতা ভবন ক্রসিংয়ে জিতেন্দর সোনি পরিচালিত বার ‘মাই হোম’-এ রাখা হয়েছিল খুব নাজুক পরিবেশে। এসব যুবতীকে বার-এ নাচতে বা’ধ্য করা হতো। কাস্টমা’ররা যে অর্থ দিতেন তার থেকে সামান্য অংশই পেতেন ওই যুবতীরা।

সিনিয়র এসপি রুচি বর্ধন মিশ্র বলেছেন, অ’ভিযুক্ত জিতেন্দর সোনি পলাতক রয়েছেন। তার ছেলে অমিত সোনিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। যুবতীদের আ’ট’কে রেখে এভাবে ব্যবসা করায় অমিত সোনির ভূমিকার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে পু’লিশ।

মধ্যপ্রদেশে হানি ট্রা’প চ’ক্রের সঙ্গে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও আমলাদের জ’ড়িত থাকার একটি অডিও-ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করে তার স্থানীয় পত্রিকা ‘সাঞ্ঝা লোকস্বামী’। এরপরই পু’লিশ তৎপর হয়। জিতেন্দর সোনির অফিসে এভাবে ত’ল্লা’শির নি’ন্দা জানিয়েছে ইন্দোর প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকদের অন্য সংগঠনগুলো।
সূত্র: যুগান্তর

প্রকাশ্যে এলো পাপিয়ার আরো ২ ভিডিও

জাল টাকা উদ্ধার, অস্ত্র ও মাদকের পৃথক তিন মামলায় গ্রেফতার নরসিংদীর জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক পাপিয়ার ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তার স্বামী মফিজুর রহমানেরও ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান ও মোহাম্মদ জসীম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে বিমানবন্দর থানার জাল টাকা উদ্ধারের মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান পাঁচ দিন, শেরেবাংলা নগর থানার অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীম পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিমানবন্দর থানার মামলায় গ্রেফতার চারজন আসামি হলেও শেরেবাংলা নগর থানার মামলার আসামি কেবল পাপিয়া দম্পতি।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে অবস্থান করে সুন্দরী যুবতীদের দিয়ে পাপিয়া পরিচালনা করতেন অবৈধ দেহব্যবসা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া ও তার স্বামী অনেক অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। কারো মাধ্যমে কোনো কাজ হাসিল করতে চাইলে সুন্দরী যুবতীদের মাধ্যমে ওই ব্যক্তিকে পাপিয়া কৌশলে তার ডেরায় নিয়ে আসতেন।

পরে গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ক্লিপসের ভয় দেখিয়ে টার্গেট পূরণ করতেন তিনি। মানসম্মানের ভয়ে ওই ব্যক্তিরাও পাপিয়ার নির্দেশের বাইরে যাওয়ার সাহস দেখাতেন না। এরই মধ্যে পাপিয়া-সুমন দম্পতি তাদের ব্যবসার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছেন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও।

পিস্তল নিয়ে বানানো তার একটি টিকটক ভিডিওর পাশাপাশি আরো দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

প্রথম ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক বসে আছেন। একটি পিস্তল তাক করা সেই যুবকের দিকে। হঠাৎ গুলির শব্দ। এরপরই দেখা মেলে পাপিয়ার। তার হাতে পিস্তল। এই ভিডিওতে ‘গোলাবি আঁখে’ শিরোনামের একটি গানে পারফর্ম করতে দেখা যায় তাকে।

অন্য দুটি ভিডিওতে তাকে আরবী গান এবং ‘হৃদয়ের রঙ’ শিরোনামের একটি বাংলা গানের সঙ্গে সুর মেলাতে ও পারফর্ম করতে দেখা যায়।

Related posts

Leave a Comment